সাহিত্য · সংগীত · চিন্তা · উত্তরাধিকারনজরুল গবেষণা পত্রিকা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতীকনজরুল গবেষণা কেন্দ্রঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
কেন্দ্র সম্পর্কেঅ্যাডমিন প্রবেশ
গ্রন্থ সমালোচনাসাহিত্য পত্রিকা১৯৬৯

নজরুল নির্দেশিকা

মনসুর মুসা

সারসংক্ষেপ

যে সব শিল্পী আপন সৃষ্টিকর্ম সম্পর্কে সচেতন তাঁদের মানস-বিবর্তনের ইতিহাস আলোচনা, তাঁদের সৃষ্টি-ধারার গতিপরিবর্তনের কারণনির্দেশ, তাঁদের সামগ্রিক অবদানের যথার্থ মূল্যায়ণ সমালোচকদের পক্ষে সুবিধাজনক। কিন্তু যাঁরা আপন সৃষ্টিকর্ম সম্পর্কে যথার্থ সচেতন নন, তাঁদের শিল্পকর্মের সামগ্রিক মূল্যায়ণে সমালোচকদের বহুমুখী সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। শেক্সপীয়ারের প্রতিভা ও ব্যক্তি-পরিচয় সম্পর্কে সমালোচকদের বিভ্রান্তিকর পরস্পর-বিরোধী সিদ্ধান্ত শুধু বিস্ময়কর নয়, ভয়াবহও বটে৷ এ রকম জটিলতার অন্যতম কারণ শিল্পীর উদাসীনতা। অথচ রবীন্দ্র-প্রতিভার শ্রেষ্ঠ নির্দেশক যে রবীন্দ্রনাথ নিজেই এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই। রবীন্দ্রনাথ সচেতন শিল্পী। তাঁর প্রায় প্রতিটি গল্প, কবিতা, নাটক, উপন্যাস বক্তৃতার স্থান-কাল তিনি নির্দেশ করে গেছেন। প্রতিটি রচনার পেছনে যে পরিবেশ ও মানসিকতা ক্রিয়াশীল ছিল, তার বিস্তারিত বিবরণও তিনি লিপিবদ্ধ করে গেছেন। এতে করে রবীন্দ্র-প্রতিভার উন্মেষ, বিকাশ ও পরিণতি সুস্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা চলে। এবং, পাঠক সমালোচকরা বহুবিধ বিভ্রান্তির হাত থেকে রেহাই পান। যে-সব শিল্পী রচনার সন-তারিখ মানসিকতা উল্লেখনে অনীহ, তাঁদের প্রতিভা বিকাশের ধারা নির্দেশ যেমন সুকঠিন, তেমনি দুরূহ তাঁদের প্রতিভা সম্পর্কে বিভ্রান্তি-মুক্ত স্থির-সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া। এ রকম সমস্যাসংকুল পরিস্থিতিতে, শিল্পীর সামগ্রিক রচনার গবেষণামূলক রচনাপঞ্জীর গুরুত্ব…

[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]

গ্রন্থপঞ্জি ও উৎসের তথ্য

এই নথির পরিচয় সংরক্ষিত আছে। পূর্ণপাঠ বা ফাইল এখনও যুক্ত হয়নি।