কাজী নজরুল ইসলাম : জীবন ও কবিতা
সুনীলকুমার মুখোপাধ্যায়সারসংক্ষেপ
আধুনিক বাংলা সাহিত্যে নজরুল ইসলাম অন্যতম প্রধান কবি-পুরুষ। তাঁর কাব্যিক সিদ্ধির মাত্রা নিয়ে যতই মতভেদ থাকনা কেন, বড় কবির মেজাজ ও মর্জির নির্ভুল নিশানা প্রথমাবধিই তাঁর রচনায় উপস্থিত ছিল। তিনি উচ্চ-কণ্ঠ কবি ছিলেন। তাঁর সমসাময়িক কালের সমস্ত উত্তাপ ও তরঙ্গদোলা তাঁর কাব্যদেহে সঞ্চারিত হয়েছিল বলে, তাঁর কাব্য ছিল আশ্চর্যরূপে জীবনঘনিষ্ঠ। প্রচণ্ডরূপে আবেগ-তাড়িত এই কবি ‘শোষণমুক্ত এক পৃথিবীর স্বপ্নে উদ্বুদ্ধ হয়েই যেন বিদ্রোহ করেছিলেন সকল অন্যায়, অবিচার, শোষণ ও ত্রাসনের বিরুদ্ধে। অন্তরে তিনি ছিলেন নিদারুণ প্রেমিক। তাই আগুন-ঝরা ভাষায় কবিতা লিখেও তিনি শেষপর্যন্ত অশ্রু দিয়েই প্রেমের তর্পণ করেছেন। এমনিতে প্রচণ্ডরূপে ভাবুক হলেও, কবির সামাজিক দায়িত্ব সম্পর্কে তিনি ছিলেন বিশেষভাবে সচেতন। তাঁর কবিতা তাই শুধু প্রেম-সৌন্দর্যের কথাই বলেনি, বলেছে প্রতিদিনকার জীবনের তীব্র গ্লানির কথা, মানুষের প্রতি মানুষের অমানুষিক আচরণের কথা, তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে মানুষে মানুষে সকল প্রকার বিভেদ সৃষ্টির ঘৃণ্য প্রয়াসের বিরুদ্ধে, তুলে ধরেছে বিদেশী শাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ধ্বজা। একই সঙ্গে সাম্প্রদায়িক বিভেদ ঘুচিয়ে হিন্দুও মুসলমানের মধ্যে মিলন-সেতু রচনার প্রয়াস পেয়েছে। দুইয়ের ‘গালাগালি'র সম্পর্ককে ‘গলাগলিতে রূপান্তরিত করার স্বপ্ন দেখেছে ও…
[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]
[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]
গ্রন্থপঞ্জি ও উৎসের তথ্য
এই নথির পরিচয় সংরক্ষিত আছে। পূর্ণপাঠ বা ফাইল এখনও যুক্ত হয়নি।
