সাহিত্য · সংগীত · চিন্তা · উত্তরাধিকারনজরুল গবেষণা পত্রিকা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতীকনজরুল গবেষণা কেন্দ্রঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
কেন্দ্র সম্পর্কেঅ্যাডমিন প্রবেশ
গবেষণাপত্রনজরুল ইনস্টিটিউট পত্রিকা

কমল দাশগুপ্তের নজরুল স্মৃতি

আসাদুল হক

সারসংক্ষেপ

নজরুল ইসলামের সঙ্গে আমার পরিচয় ঘনিষ্ঠতর হতে লাগল এবং ব্যক্তিত্বটিকে চাক্ষুস দেখার জন্য মনে ঔৎসুক্য ক্রমশঃ বাড়তে লাগল। আমার মেসোমশায়ের বড় ভাইয়ের নাম ছিল তুলসী লাহিড়ী। তিনি ছিলেন একাধারে এক নাট্যকার, অভিনেতা, গীতিকার এবং সুরকার। একবার আমাদের বউবাজারের বাসায় এসে তিনি বললেন, 'চল, তোকে কলের গানের রেকর্ড তৈরীর কারখানা দেখিয়ে আনি'। উনি আমাকে সঙ্গে করে শ্যামবাজারের নলিনী সরকার স্ট্রীটে নিয়ে গেলেন। সেখানে দেখি, একটা ঘরের ফরাসের উপরে সাদা ধুতি ও গেরুয়া পাঞ্জাবী পরা একজন ভদ্রলোক, একটা তারের বাদ্যযন্ত্র বাঁ হাতে নিয়ে টুং টাং করে বাজাচ্ছেন এবং আর এক হাতে কাগজের উপর কি সব লিখছেন। তাঁর সামনে একটি রোগা মেয়ে বসেছিলেন, উনি মেয়েটিকে বললেন, 'আয় মা, গানটা করত'। মেয়েটি ভারি সুন্দরভাবে গানটা গাইতে লাগলেন। যিনি গানটা শেখাচ্ছিলেন, তিনি আমার ইঙ্গিত বিশ্ববিশ্রুত কাজী নজরুল ইসলাম। শোনা যায় ঐ একখানি গানের রেকর্ড করেই সেই মেয়েটি সারা বাংলাদেশে খ্যাতি লাভ করেছিলেন।

গ্রন্থপঞ্জি ও উৎসের তথ্য

এই নথির পরিচয় সংরক্ষিত আছে। পূর্ণপাঠ বা ফাইল এখনও যুক্ত হয়নি।