নজরুলের চিত্তনামা : ভাবলোক ও শিল্পরূপ
আবু হেনা আবদুল আউয়ালসারসংক্ষেপ
তৎকালীন বঙ্গ ভারতীয় রাজনীতিতে চিত্তরঞ্জন দাশ (১৮৭০-১৯২৫) ছিলেন উদারনৈতিক, অসাম্প্রদায়িক, ধর্মনিরপেক্ষ ও প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী জননেতা। ১৯১৭ সাল থেকে আমৃত্যু তিনি রাজনীতিতে নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করেন। জনগণ তাঁকে ‘দেশবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করে। মন্টেগু-চেমসফোর্ড কমিশন (১৯১৮), রাউলাট এ্যাক্ট (১৯১৯), জালিওয়ানাবাগ গণহত্যা (১৯১৯) প্রভৃতির বিরুদ্ধেই তিনি আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। ১৯১৯ সালে তিনি সর্ব প্রথম ব্রিটিশ বিরোধী রাজনীতিক আন্দোলনে অংশ নিয়ে কারাভোগ করেন। ১৯২০-২১ সালের মহাআ গান্ধী (১৮৬৯- ১৯৪৮) পরিচালিত খিলাফত-অসহযোগ আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় অংশ গ্রহণ করেন। বৃটিশ সরকার ১৯২১ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে খিলাফত ও অসহযোগ আন্দোলনের বিরুদ্ধে পীড়ন নীতি প্রয়োগ করতে শুরু করে। এ সময় অন্যান্য নেতা ও সহকর্মীর সংগে চিত্তরঞ্জন দাশকে কারারুদ্ধ করা হয় (১০ ডিসেম্বর) এবং তাঁকে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়। ভারতের সর্বত্র ব্যাপক ধরপাকড় শুরু হয়। ফলে আন্দোলনও হিংস্র রূপ পরিগ্রহ করে। এতে মহাত্ম গান্ধী মর্মাহত হয়ে অসহযোগ আন্দোলন বন্ধের প্রস্তাব করলে কংগ্রেস তা বন্ধ করে দেয় (২৫ ফেব্রুয়ারি)। পরে কংগ্রসের আপোষমূলক নীতির প্রতিবাদে চিত্তরঞ্জন দাশ অধিকতর বিপ্লবী দল – ‘স্বরাজ্য দল' (১ জানুয়ারি, ১৯২৩) গঠন করেন।…
[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]
[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]
গ্রন্থপঞ্জি ও উৎসের তথ্য
এই নথির পরিচয় সংরক্ষিত আছে। পূর্ণপাঠ বা ফাইল এখনও যুক্ত হয়নি।
