সাহিত্য · সংগীত · চিন্তা · উত্তরাধিকারনজরুল গবেষণা পত্রিকা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতীকনজরুল গবেষণা কেন্দ্রঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
কেন্দ্র সম্পর্কেঅ্যাডমিন প্রবেশ
গবেষণাপত্রসাহিত্য পত্রিকা১৯৮৮

শক্তিসাধনা ও নজরুলের কবিতা

স্বপ্না রায়

সারসংক্ষেপ

সৃষ্টির আদিযুগ থেকেই মানুষ শক্তিসাধনা করে এসেছে। প্রথম পর্যায়ে এ-সাধনা ছিলো তার টিকে থাকার প্রয়োজন থেকে উদ্ভূত। বিবর্তিত পথ-পরিকমায় এর কুমরূপান্তর সাধিত হয়—নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের প্রয়াস থেকে কুমে আত্মবিস্তারের বাসনা প্রাধান্য পায় এবং সে-উদ্দেশ্যেই ব্যবহাত হতে থাকে শক্তি-উৎস ও হাতিয়ারসমূহ। প্রত্যাশার বাস্তবায়নে মানুষ স্বীয় শক্তিকে ব্যবহার করেছে নানাবিধ উপায়ে। প্রয়োগ এবং অপপ্রয়োগ—উভয়বিধ উপায়ে শক্তি প্রয়োগের ফল কখনো শুভ হয়েছে, মানুষের কল্যাণে কাজ করেছে, আবার কখনো তার অশুভ থাবা গ্রাস করেছে মানুষের বেঁচে থাকার অবলম্বনটুকুও। অবশ্য কালক্রমে এই শক্তিপ্রয়োগ আর বাহুবলে সীমাবদ্ধ থাকেনি; বুদ্ধির কর্ষণ আর সভ্যতার কুমোত্তরণের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের শক্তি প্রয়োগের পদ্ধতি হয়েছে ভিন্ন থেকে ভিন্নতর, হয়েছে জটিল থেকে জটিলতর। আদিম সামন্তসমাজ থেকে বুর্জোয়া সামাজে রূপান্তর এবং বর্তমান বিশ্বের সমাজতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা—যা সাম্যবাদী সমাজব্যবস্থায় উত্তরণের ধারায় অগ্রসরমান –সেখানেও পরম্পরাগতভাবে শক্তিপ্রয়োগের অনিবার্য তাগিদ লক্ষণীয়। স্বাভাবিক সামাজিক সংঘাতের বাইরেও যে পেশীশক্তির প্রয়োগ—এই বিবর্তনের ক্ষেত্রেও তার ভূমিকা বিশাল। প্রশ্ন উঠতে পারে, শক্তিসাধনা কিংবা শক্তিপ্রয়োগ কি এক কথা ? হিন্দু ধর্মের দেবদেবী কিংবা অসুরদের সঙ্গে স্বর্গে-মর্তে যে-যুদ্ধ, সেখানে শক্তিপ্রয়োগের পূর্বে শক্তিসাধনা তো একটি স্বাভাবিক…

[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]

গ্রন্থপঞ্জি ও উৎসের তথ্য

এই নথির পরিচয় সংরক্ষিত আছে। পূর্ণপাঠ বা ফাইল এখনও যুক্ত হয়নি।