অগ্নি-বীণার নান্দনিকতা ও এর সমাজতত্ত্ব
Mohammad Azamসারসংক্ষেপ
কাব্য-বিচারের সমাজতাত্ত্বিক রীতি-পদ্ধতি যেমন জনপ্রিয়, ঠিক তেমনি কাব্যধারার নিজস্ব বলয়ের সীমার মধ্যে নান্দনিক পর্যালোচনাও যথেষ্ট প্রভাবশালী। বর্তমান প্রবন্ধে এ দুয়ের সমন্বয়ের মধ্য দিয়ে অগ্নি-বীণা কাব্যের নন্দনসূত্র উন্মোচিত হয়েছে। দেখানো হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ ও তীব্র কাব্য হিসেবে অগ্নি-বীণা বাংলা কাব্যধারায় ছেদ যেমন ঘটিয়েছে, ঠিক তেমনি নানা মাত্রার ধারাবাহিকতাও রক্ষা করেছে। কিন্তু পরিপ্রেক্ষিতগত স্বাতন্ত্র্যের কারণে সমাজপটের উন্মোচন ব্যতিরেকে ওই ছেদ ও ধারাবাহিকতার যথার্থ মূল্যায়ন দুরূহ। এ কারণেই সমাজতাত্ত্বিক পটভূমিকে সমীকৃত করেই কেবল কাব্যটির নতুন নান্দনিকতার স্বরূপ উদ্ঘাটন সম্ভব। বাংলা সমালোচনা-সাহিত্যে নজরুল কাব্যের সমাজতত্ত্ব ব্যাপকভাবে আলোচিত হলেও মুখ্যত ‘বিষয়’ হিসেবেই তা বিবেচনায় এসেছে। অগ্নি-বীণার বর্তমানময়তা, ধ্বনিময় সাঙ্গীতিকতা ও উচ্চকণ্ঠ বক্তব্যময়তাকে প্রভাবশালী নন্দনতত্ত্বের নিরিখে বিচার করায় তার নান্দনিক তাৎপর্য শ্রেষ্ঠাংশে অধরাই থেকে গেছে। এ প্রেক্ষাপটে বর্তমান প্রবন্ধে দেখানো হয়েছে, পটভূমিগত নতুনত্ব ও ভিন্নতার বিশ্লেষণ কাব্যটির নন্দনসূত্র তুলনামূলক কার্যকরভাবে উন্মোচন করতে পারে।
গ্রন্থপঞ্জি ও উৎসের তথ্য
এই নথির পরিচয় সংরক্ষিত আছে। পূর্ণপাঠ বা ফাইল এখনও যুক্ত হয়নি।
