নজরুল কাব্যে পুরাণের ব্যবহার
মোহাম্মদ আবদুল আউয়ালসারসংক্ষেপ
পুরাণ এই শব্দের মধ্যেই আছে কাহিনীগুলোর প্রাচীনত্বের সংবাদ । ব্যাস এবং অন্যান্য মুনি ঋষিদের দ্বারা রচিত পুরাতন শাস্ত্রীয় কাহিনীই পুরাণ। পুরাণ শাস্ত্র বটে-- কাব্যও বটে। পুরাণের লক্ষণ পাঁচটি: সর্গশ্চ প্রতিসর্গশ্চ বংশো মন্বন্তরাচি- বংশানু চরিতঞ্চৈব পুরাণং পঞ্চ লক্ষণম৷ একথা অনস্বীকার্য, আদিম মানব সমাজেরই সৃষ্টি এই পুরাণ কাহিনী। তাই আজকের বিজ্ঞানমনস্ক পাঠকের কাছে পুরাণের কাহিনী অলৌকিক মনে হতে পারে। তবে আধুনিক কালের রসিক মানুষের কাছে এই পুরাণের তাৎপর্য ভিন্ন রকমের। মানুষের মন তো অতল সমুদ্রের মতো সীমাহীন--মনের সীমাহীন বিচিত্র অনুভূতিকে এক কালে মানুষ পুরাণের মধ্যে রূপ দিতে চেষ্টা করেছে। আধুনিক কালের মানুষ এই পুরাণের ব্যবহৃত কাহিনীকে তার তাৎপর্যকে তার সৃষ্ট কাব্যে সাহিত্যে এক নূতন প্রতীকী ব্যঞ্জনায় ব্যবহার করেছে।
গ্রন্থপঞ্জি ও উৎসের তথ্য
এই নথির পরিচয় সংরক্ষিত আছে। পূর্ণপাঠ বা ফাইল এখনও যুক্ত হয়নি।
