নজরুল-সাহিত্যের ভাষা-বৈশিষ্ট্য
আবুল কালাম মনজুর মোরশেদসারসংক্ষেপ
কবিতার দৈহিক কাঠামো নির্মাণে ও প্রসাধনকলা রূপায়ণে শব্দ ব্যবহারের গুরুত্ব সর্বাধিক। কবিতার রূপকল্প নির্দেশে অধিকাংশ সময় রূপক, অনুপ্রাস, চিত্রকল্প বা ছন্দের দিক প্রাধান্য পেলেও শব্দ বা বৃহত্তর অর্থে ভাষা প্রয়োগের আনুষঙ্গিক দিক বা অন্য অর্থে স্টাইলিস্টিকস আলোচিত হয় না বলে ভাষা নির্মাণের অন্তর্নিহিত কৌশল নেপথ্যে অবস্থান করে। শব্দ ব্যবহারে ধ্বনির পারস্পরিক বিন্যাস, অনুরণন ও স্বরতরঙ্গের দিক অনুসৃত হয়ে থাকে। একজন কবি কবিতার অবয়ব নির্মাণে শব্দ- গঠনের এই দিকগুলি সচেতনভাবে চিন্তা করেন বলে তাঁর কবিতা ও সাহিত্য বিশ্লেষণে সাহিত্যের রূপগত এই বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণে ভাষা সম্পর্কে কবি-চেতনার বিশেষ মনোভঙ্গি মূর্ত হয়ে ওঠে। নজরুল ইসলাম ভাষা-সচেতন শিল্পী। তাঁর সাহিত্যে বাক্যদেহ নির্মাণ, শব্দ ব্যবহার ও নতুন শব্দ গঠন, ধ্বনিব্যঞ্জনা, আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহার ও আরবি- ফারসি-হিন্দি শব্দের প্রাচুর্য ভাষা সম্পর্কে তাঁর সচেতনতার দিক নির্দেশ করে। তাঁর সাহিত্যে ব্যবহৃত তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ ব্যবহারের রীতি ব্যাখ্যা করা প্রয়োজন এজন্যে যে, সাহিত্যের গঠনগত রূপ-নির্মাণের সঙ্গে শব্দ-ব্যবহারে কবির শিল্প দক্ষতার পরিধি অনাবৃত হয়ে চিনতে সহায়তা করে। গদ্য সাহিত্য, বিশেষত কবিতায় শব্দের বিভিন্ন উপাদান লক্ষ্য করলে শব্দের…
[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]
[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]
গ্রন্থপঞ্জি ও উৎসের তথ্য
এই নথির পরিচয় সংরক্ষিত আছে। পূর্ণপাঠ বা ফাইল এখনও যুক্ত হয়নি।
