সাহিত্য · সংগীত · চিন্তা · উত্তরাধিকারনজরুল গবেষণা পত্রিকা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতীকনজরুল গবেষণা কেন্দ্রঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
কেন্দ্র সম্পর্কেঅ্যাডমিন প্রবেশ
গবেষণাপত্রসাহিত্য পত্রিকা২০১১

নজরুলের গানের শ্রেণিবিন্যাস

মহসিনা খানম (লীনা তাপসী)

সারসংক্ষেপ

উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধ থেকেই বাংলা সঙ্গীতকে সুসংবদ্ধভাবে প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হতে থাকে। তবে সে প্রয়াস ছিল প্রধানত বিষয়ভিত্তিক। নবকান্ত চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বিখ্যাত সংকলন ভারতীয় সঙ্গীত মুক্তাবলী (১৮৮৪) তে সংকলিত গানসমূহকে মোট ১১টি পর্বে বিভক্ত করা হয়। এ সবই ছিল বিষয়ভিত্তিক শ্রেণিকরণ। যেমন— জাতীয় সঙ্গীত, সামাজিক সঙ্গীত, পৌরাণিক সঙ্গীত, ঐতিহাসিক সঙ্গীত, ব্রহ্মসঙ্গীত, শ্যামবিষয়ক সঙ্গীত, হরিনাম সঙ্গীত ও সংকীর্তন, খ্রীস্টিয়ান ধর্মসঙ্গীত, বিবিধ ধর্মসঙ্গীত। জাতীয় সঙ্গীত পর্বটিকে বিষয়ক্রমে উপবিভক্ত করা হয়েছে। যেমন— উদ্দীপনা ও সূচনাসূচক, বিবিধ, মুদ্রাশাসন, আইন, জন্মভূমি, বঙ্গভাষা, দিল্লী দরবার, নব্যবঙ্গের প্রতি, ভিক্টোরিয়ার প্রতি জাতীয় সভা-সমিতি সম্বন্ধে ইত্যাদি। এরূপ আরো উপবিভাজন পাওয়া যায় এতে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট যে, এতে কোনো সংগীতাত্মক বা সাঙ্গীতিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা হয় নি। ফলে এ থেকে গানের শ্রেণিকরণ স্পষ্ট নয় ৷ উনিশ শতকের শেষার্ধে শ্রেণিবিন্যাস বিষয়টি একটি স্পষ্ট রূপ লাভ করেছে। বিশেষ করে রবীন্দ্রনাথ তাঁর গানের বিন্যাস করায় তা সহজভাবে ফুটে উঠেছে। এই তবে শ্রেণিবিন্যাস বিষয়বস্তুগত। 'রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকেও এমনি বিষয়বস্তুগত শ্রেণীকরণ দ্বারা অনুপ্রাণিত হতে দেখা যায়'। অতুলপ্রসাদ সেন তাঁর গানসমূহকে বিভাজন করেছেন এভাবে, যথা…

[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]

গ্রন্থপঞ্জি ও উৎসের তথ্য

এই নথির পরিচয় সংরক্ষিত আছে। পূর্ণপাঠ বা ফাইল এখনও যুক্ত হয়নি।