নজরুল প্রসঙ্গে বুদ্ধদেব বসু
মুহম্মদ সাইফুল ইসলামসারসংক্ষেপ
নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) যখন বাক্রদ্ধ, অর্থাৎ অসুস্থ হয়ে গেলেন, তার কিছুকাল পরে বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮-১৯৭৪) তাঁর কবিতা পত্রের একটি 'নজরুল সংখ্যা' বের করেন। তাতে ‘নজরুল ইসলাম' নামে তিনি একটি প্রবন্ধ লেখেন। সম্ভবত, সেটা ছিল নজরুল সম্পর্কে বুদ্ধদেব বসুর প্রথম নজরুল-মূল্যায়ন। আর যাঁরা ওই সংখ্যায় লিখেছিলেন, তাঁরা হলেন : নলিনীকান্ত সরকার, জীবনানন্দ দাশ, সাবিত্রীপ্রসন্ন চট্টোপাধ্যায়, লীলাময় রায় ও আনওয়ারুল ইসলাম প্রমুখ । কবিতায় যেভাবে বেরিয়েছিল, কোনো পরিবর্তন-সংযোজন ছাড়াই নজরুল সম্পর্কে বুদ্ধদেব বসুর উল্লিখিত প্রবন্ধটি পরে তাঁর কালের পুতুল (১৯৪৬) গ্রন্থে সংকলিত হয়। এরপরে বুদ্ধদেব বসু বাংলা-ইংরেজি যেখানেই নজরুলের নাম উল্লেখ করেছেন, সর্বত্রই ঐ প্রবন্ধের বক্তব্য ঘুরে-ফিরে এসেছে। প্রথম আলোচনায় তিনি নজরুল সম্পর্কে যে-সব মন্তব্য ও সিদ্ধান্ত করেছিলেন, তারপর দেখা যায়, নজরুল সম্পর্কে তাঁর মত আর পরিবর্তিত হয়নি, বরঞ্চ নজরুলের কাব্য-সংগীত বিচারে তিনি যেন আরো কঠোর হয়েছেন। কবিতার নজরুল-সংখ্যা বের করার তাৎপর্য ছিল। সময়টা দুই মহাযুদ্ধের উন্মত্ততায় অস্থির। রাজনীতির বিক্ষুব্ধতা কেবল নেতা-কর্মীদেরই নয়, কবি-সাহিত্যিকদেরও অভিভূত করে তুলেছিল । বুদ্ধদেব বসু বলেছেন, বাংলাদেশে নজরুল ইসলাম সাহিত্যের ক্ষেত্রে, এই অনভিপ্রেত সাময়িক উত্তেজনার প্রথম শিকার…
[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]
[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]
গ্রন্থপঞ্জি ও উৎসের তথ্য
এই নথির পরিচয় সংরক্ষিত আছে। পূর্ণপাঠ বা ফাইল এখনও যুক্ত হয়নি।
