নজরুলের নাম-কবিতার পটভূমি ও অন্যান্য তথ্য
আবু হেনা আবদুল আউয়ালসারসংক্ষেপ
ব্যক্তি বিশেষের নাম কবিতার শিরোনামে উল্লেখ করে এবং একই সংগে শিরোনামোক্ত ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে লিখিত কবিতাই নাম-কবিতা। জীবিত বা মৃত যে কোনো ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে এ জাতীয় কবিতা রচিত হতে পারে। কবি যাঁর প্রতি প্রীত, প্রসন্ন ও শ্রদ্ধাশীল এবং যাঁর আদর্শ ও গুণরাজী তাঁকে আকৃষ্ট করে এমন ব্যক্তিই নাম-কবিতার বিষয়বস্তু হয়ে থাকেন। হৃদয়ের উষ্ণ প্রীতিতে ও পরম শ্রদ্ধায় কবি স্মরণ করেন ঐ ব্যক্তির স্মৃতি, কীর্তি, ভূমিকা ও অবদান। কবি নির্বাচিত ব্যক্তিকে কল্পনায় তাঁর চোখের সামনে এনে নাম-কবিতা রচনা করেন। সাধারণত বিশেষ কোনো উপলক্ষে (যেমন, জন্মবার্ষিকী, মৃত্যুবার্ষিকী, বিশেষ ঘটনা, যুদ্ধ জয় প্রভৃতি) এ জাতীয় কবিতা রচিত হয়। তাই স্বভাবতই এতে থাকে আবেগের আধিক্য এবং সে সূত্রেই থাকে ভক্তি ও উক্তির অকৃপণ অপরিমিতি। বিশ্বের অন্যান্য ভাষার মতো বাংলা ভাষায়ও নাম-কবিতার ঐতিহ্য রয়েছে। কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) সেই ঐতিহ্যানুসারী হয়েও ভিন্ন স্বাদ ও সৌন্দর্যের সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন। বিপ্লবী রাজনৈতিক ধ্যান-ধারণা, মানসিক ঔদার্য ও প্রাতিস্বিক জীবনাভিজ্ঞানে তাঁর নাম-কবিতাগুলো বিশেষ মর্যাদায় সংসিক্ত। ব্যক্তি বিশেষকে উদ্দেশ্য করে রচিত হলেও এসব কবিতায় তিনি উপনবিশে-শৃঙ্খলিত স্বদেশের মুক্তির…
[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]
[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]
গ্রন্থপঞ্জি ও উৎসের তথ্য
এই নথির পরিচয় সংরক্ষিত আছে। পূর্ণপাঠ বা ফাইল এখনও যুক্ত হয়নি।
