নজরুলের প্রবন্ধ : বিষয়বৈচিত্র্য ও গদ্যশৈলী
আবু হেনা মোস্তফা এনামসারসংক্ষেপ
রবীন্দ্র-পরবর্তী বাংলা সাহিত্যে নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) অন্তর্মগ্ন আবেগে, সংবেদনায় কবিসত্তার একনিষ্ঠ আন্তরধর্মে যথার্থ অর্থেই প্রথম মৌলিক কবি। কিন্তু তিনি কেবল কবিতা রচনা করেন নি, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়ে পৃথিবীব্যাপী সামূহিক অবক্ষয়-অত্যাচারের এবং রক্ষণশীলতার অচল-অটল স্তম্ভ ধ্বংসের সূচনায়; নিপীড়িত মানুষের সপক্ষে বৈষম্যহীন সমাজবিন্যাসের বাসনায়, প্রেমাকাঙ্ক্ষায়, ক্ষোভ-যন্ত্রণা-বিদ্রোহকে বাস্তব রূপ দানের জন্য এবং জীর্ণ-পুরাতনকে ভেঙে নতুন সমাজ নির্মাণের অঙ্গীকারে অন্তরচৈতন্যের প্রতিবাদী সত্তার তীব্র আলোর সম্পাতে রচনা করেছেন প্রবন্ধ। নজরুলের প্রাবন্ধিক অস্তিত্বের বিকাশ-পরিবর্ধন মূলত সম্পাদকীয় রচনার প্রেরণায় এবং অনেকাংশে বিভিন্ন সভায় প্রদত্ত অভিভাষণের শাব্দিক বিন্যাসে। যে কারণে স্বল্পসংখ্যক এবং ক্ষীণায়তনিক হলেও তাঁর প্রবন্ধ সমকালীন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (১৮৬১-১৯৪১) প্রাবন্ধিক সত্তার প্রাজ্ঞ জীবনবোধ এবং প্রমথ চৌধুরীর (১৮৬৮-১৯৪৬) জাতিক এবং আন্তর্জাতিক সাহিত্য-অভিজ্ঞান অথবা মননশীল জীবনের সৃষ্টিময় উচ্চমার্গ সঞ্চারী নয়। তাঁর প্রবন্ধের বিষয়বৈচিত্র্য ও নিজস্ব ব্যক্তিত্বমণ্ডিত মোহনীয় শাব্দিক আবেগরাশির স্রোতে ভেসে যায় সমস্ত প্রাবন্ধিক ঐতিহ্য। রবীন্দ্রনাথের পরিশীলিত গদ্যভঙ্গির যৌক্তিক কাঠামো অথবা ইংরেজি, ফরাসি সাহিত্যের নিবিড় অধ্যয়ন, পেইন্টিং, সংগীত শ্রুতিমধুরতা, ঠাকুর পরিবারের বিদগ্ধ পরিবেশ এবং পঞ্চেন্দ্রিয়গ্রাহ্য রূপদীক্ষা-কথনকৌশল ও বস্তুজ্ঞানচৈতন্যের নির্যাস আহরণে কৃষ্ণনাগরিক প্রমথ চৌধুরীর সবুজপত্র (১৯১৪) আশ্রয়ী বাংলা কথ্যরীতির পরিমার্জিত…
[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]
[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]
গ্রন্থপঞ্জি ও উৎসের তথ্য
এই নথির পরিচয় সংরক্ষিত আছে। পূর্ণপাঠ বা ফাইল এখনও যুক্ত হয়নি।
