নজরুলের প্রবন্ধ পাঠ : একটি পর্যালোচনা
Munira Sultanaসারসংক্ষেপ
একজন কবি, নাট্যকার, কথাশিল্পী, সঙ্গীতকার কিংবা শিশু-সাহিত্যিক হিসেবে নজরুলের শিল্পিসত্তা থেকে প্রবন্ধকার নজরুলকে ভিন্নতর শ্রেণির লেখক হিসেবেই চিহ্নিত করা যায়। কাজী নজরুল ইসলামের (১৮৯৯-১৯৭৬) বেশ কিছু প্রবন্ধ সমকালে সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় হিসেবে বেরিয়েছিল। তবে সাহিত্যচর্চার অঙ্গ হিসেবে তিনি সচেতনভাবে প্রবন্ধও রচনা করেছেন। তিনি নিজে যেসব রচনাকে প্রবন্ধ বলে আখ্যায়িত করেছেন, সেগুলি প্রথমে প্রকাশিত হয় 'নবযুগ' (১৯২০), 'ধূমকেতু' (১৯২২) আর 'গণবাণী' (১৯২৬) পত্রিকার সম্পাদকীয়তে। যুগবাণী, রুদ্র-মঙ্গল ও দুর্দিনের যাত্রীর অধিকাংশ রচনা এই শ্রেণির। রচনাগুলি প্রথম পর্যায়ে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় বাংলা ১৩২৬ থেকে ১৩৩৩ সালের মধ্যে, পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার কিছু কাল পরে। ধূমকেতু-তে সংকলিত হয় আঠারটি প্রবন্ধ এবং দুটি চিঠি। প্রবন্ধগুলোর একটি 'গণবাণী' থেকে সংগৃহীত। বাকি সবগুলোই সম্পাদকীয় বা প্রবন্ধের আকারে 'ধূমকেতু'-তে আত্মপ্রকাশ করে। নজরুলের বিখ্যাত রচনা রাজবন্দীর জবানবন্দী গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে। রচনাটি রাজদ্রোহের অভিযোগে ধৃত কবির লিখিত জবানবন্দি। এটি পরে প্রলয়-শিখা কাব্যগ্রন্থের পরিশিষ্ট রূপে সংকলিত হয়। 'রাজবন্দীর জবানবন্দী'র প্রাথমিক উদ্দেশ্য যা-ই থাক না কেন, একে যুগবাণী, রুদ্র-মঙ্গল, দুর্দিনের যাত্রী আর ধূমকেতুর রচনাগুলির মতই 'ব্যাপক অর্থে প্রবন্ধ হিসেবে স্বীকার করে…
[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]
[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]
গ্রন্থপঞ্জি ও উৎসের তথ্য
এই নথির পরিচয় সংরক্ষিত আছে। পূর্ণপাঠ বা ফাইল এখনও যুক্ত হয়নি।
