নজরুল কাব্য পাঠের ভূমিকা
রফিকুল ইসলামসারসংক্ষেপ
বর্তমান শতকের প্রথম দুই দশকের বাংলা কবিতা রবীন্দ্র কাব্যের প্রভাবে পরিচিহ্নিত। যতীন্দ্রমোহন বাগচী, করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, কুমুদরঞ্জন মল্লিক, কালিদাস রায় প্রমুখ কবিদের কাব্য ধারাকে রবীন্দ্রনাথের কাব্য পরিমণ্ডল থেকে আলাদা করে প্রতিষ্ঠা করা দুষ্কর । সচেতন বা অচেতনভাবে তাঁরা ছিলেন রবীন্দ্রনাথের অনুসারী। সে অনুসরণে তাঁদের আনন্দই ছিল, কারণ কাব্যের পরিচিত পথে চলা তারা সহজতর ভেবেছিলেন। অবশ্য রবীন্দ্রযুগেও অন্ততঃ তিন জন কবি ছিলেন যাঁদের আলাদা করে চিনতে অসুবিধা হয় না। তাঁরা হচ্ছেন মোহিতলাল মজুমদার, যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত ও কাজী নজরুল ইসলাম। এ দু'ধারার মধ্যে সংযোগ রক্ষা করেছিলেন সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ; তিনি ছিলেন রবীন্দ্রানুসারী ও নতুন ধারার সাধকদের মধ্যে যোগসূত্র।
গ্রন্থপঞ্জি ও উৎসের তথ্য
এই নথির পরিচয় সংরক্ষিত আছে। পূর্ণপাঠ বা ফাইল এখনও যুক্ত হয়নি।
