সাহিত্য · সংগীত · চিন্তা · উত্তরাধিকারনজরুল গবেষণা পত্রিকা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতীকনজরুল গবেষণা কেন্দ্রঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
কেন্দ্র সম্পর্কেঅ্যাডমিন প্রবেশ
গবেষণাপত্রসাহিত্য পত্রিকা২০১১

নজরুলের যুগবাণী: আঙ্গিক বিবেচনার নব প্রস্তাবনা

Tashrik-E-Habib

সারসংক্ষেপ

কাজী নজরুল ইসলামের (১৮৯৯-১৯৭৬) বিচিত্রমাত্রিক সাহিত্যকর্মের ক্ষেত্রে সবচেয়ে উপেক্ষিত-অবহেলিত সাহিত্যরূপটি নিঃসন্দেহে তাঁর প্রবন্ধ। কবি হিসেবে যিনি সাধারণ পাঠক ও বোদ্ধাজন, বিজ্ঞ সমালোচকমহলের নিকট থেকে 'বিদ্রোহী কবি', 'জাতীয় কবি', 'যুগকবি', 'রবীন্দ্র-যুগের প্রথম মৌলিক কবি', 'বাংলা সাহিত্যের অন্যতম যুগ-প্রবর্তক কবি', 'জাতীয় মহাকবি'সহ অসংখ্য বিশেষণে অভিধায় পরিস্নাত, তিনি-ই যে প্রবন্ধের শিল্পমান সৃষ্টিতে অতি সাধারণ ও নগণ্য – এরূপ বিভ্রান্তিমূলক ধারণা পোষণের জন্য তাঁর সচেতন পাঠককে অধিক কায়-ক্লেশ স্বীকারের প্রয়োজন হয় না। কারণ, নজরুলের জীবনী ও সাহিত্য-মূল্যায়ন বিষয়ক প্রামাণ্য গ্রন্থসমূহের 'সূচি'-অংশে দৃষ্টিপাত করলেই এ সত্য উপলব্ধি করা সম্ভব। কবি হিসেবে তিনি খুব দ্রুতই বাঙালি-মানসের অশেষ বন্দনা ও শ্রদ্ধা- ভালোবাসার পাত্রে পরিণত হয়েছেন এবং তাঁকে নিয়ে রচিত বিবিধ গ্রন্থের সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। অথচ তাঁর রচিত প্রবন্ধের শিল্পমান বিবেচনা প্রসঙ্গে সমালোচকমহল বিস্ময়করভাবে নীরব। এর অন্তরালে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কিছু গৎবাঁধা ধারণা বলবৎ রয়েছে। প্রথমত, নজরুলের বিভিন্ন প্রবন্ধ-সংকলনের অন্তর্গত রচনাসমূহ মূলত একাধিক পত্রিকার সম্পাদকীয় কলাম, যা দীর্ঘ সময়ের পরিশীলন ও যুক্তি-মননের পরিচর্যা ব্যতীতই লিখিত। দ্বিতীয়ত, এসব রচনার প্রেক্ষাপট ও প্রসঙ্গ সমকালের বিভিন্ন রাজনৈতিক- অর্থনৈতিক-সামাজিক ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় লিখিত। তৃতীয়ত, প্রবল…

[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]

গ্রন্থপঞ্জি ও উৎসের তথ্য

এই নথির পরিচয় সংরক্ষিত আছে। পূর্ণপাঠ বা ফাইল এখনও যুক্ত হয়নি।