বাংলাদেশে নজরুলচৰ্চা
সৈয়দ আজিজুল হকসারসংক্ষেপ
সর্বাধিক আলোচিত, জনপ্রিয় ও বিতর্কিত এবং স্বীয় সৃষ্টিবৈচিত্র্যের এক স্বতন্ত্র উত্তরাধিকার নির্মাণে সক্ষম ওজস্বী সাহিত্যিক-ব্যক্তিত্ব হিসেবে বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (১৮৬১-১৯৪১) পরেই নজরুল ইসলামের (১৮৯৯-১৯৭৬) স্থান। তুলনামূলকভাবে স্বল্প-পরিধিসম্পন্ন হলেও রবীন্দ্রনাথের মতো নজরুলও তাঁর বহুমুখী প্রতিভার একটি সূর্যবলয় নির্মাণে সক্ষম হয়েছিলেন—যা আপন ঐশ্বর্যে আজও দীপ্তিমান। নজরুল ইসলামের সৃষ্টিপ্রক্রিয়ায় স্বদেশের অখণ্ড ঐতিহ্যের সঙ্গে সার্থকভাবে সমন্বিত হয়েছিল প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের ঐতিহ্যধারা। এবং এভাবে ত্রিমুখী ঐতিহ্যধারার সংশ্লেষের মাধ্যমে তিনি স্বতন্ত্র উত্তরাধিকার নির্মাণে সফল হয়েছিলেন। উদাহরণযোগ্য প্রাসঙ্গিক বিবেচনা: এক বাংলা কাব্যের ইতিহাসে সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের পরে সবচেয়ে বড়ো কবিত্বশক্তি নজরুল ইসলামের। তিনি যখন সাহিত্য ক্ষেত্রে এলেন তখন সত্যেন্দ্র দত্ত তাঁর খ্যাতির চূড়ায় অধিষ্ঠিত, সে-সময় তাঁর প্রভাব বোধ হয় রবীন্দ্রনাথের প্রভাবকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল। নজরুলের রচনায় সত্যেন্দ্রীয় আমেজ ছিলো না তা নয়, কেনই বা থাকবে না—কিন্তু প্রথম থেকেই তিনি সুস্পষ্ট এবং প্রবলভাবে তাঁর স্বকীয়তা ঘোষণা করেছিলেন । প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশ তাঁকে গ্রহণ করলো, স্বীকার করলো—তাঁর এই রাজরোষ ও প্রজানুরাগ লাভ করে এডিশনের পর এডিশন কাটতে লাগলো—অতি অল্প সময়ের মধ্যে অসামান্য লোকপ্রিয়তা অর্জন করলেন তিনি। এটা কবির পক্ষে…
[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]
[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]
গ্রন্থপঞ্জি ও উৎসের তথ্য
এই নথির পরিচয় সংরক্ষিত আছে। পূর্ণপাঠ বা ফাইল এখনও যুক্ত হয়নি।
