নজরুল ইসলামের শিক্ষা-চিন্তা
জামরুল হাসান বেগসারসংক্ষেপ
কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) ছিলেন একাধারে উপনিবেশের অধিবাসী ও উপনিবেশ বিরোধী। এই সত্যটির প্রতিফলন তাঁর কবিতার ক্ষেত্রে যেমন সুস্পষ্ট, তেমনি প্রবন্ধের ক্ষেত্রে সত্য। আমরা জানি, কবিতার তুলনায় তাঁর প্রবন্ধের সংখ্যা নগণ্য। তবে কবিতার মতোই প্রবন্ধেও তাঁর প্রাণচেতনার স্পর্শ অনুভূত হয়। নজরুল রচিত প্রবন্ধের অধিকাংশই তাঁর সমকালীন দেশকাল ও পরিবেশের পরিপ্রেক্ষিতে, সংবাদপত্রের ‘সম্পাদকীয়' প্রবন্ধের চাহিদাপূরণে রচিত হয়েছিল। এছাড়া তাঁর অভিভাষণগুলোতেও ভাব-ভাষা ও বিষয়বস্তু বিচারে, সর্বোপরি প্রকাশভঙ্গির মৌলিকত্বও প্রবন্ধের রূপ পরিগ্রহ করেছে। উল্লিখিত প্রবন্ধসমূহ পরবর্তীসময়ে তাঁর বিভিন্ন গ্রন্থে সন্নিবেশিত হয়েছে। প্রাসঙ্গিকভাবে উল্লেখ্য: সাহিত্যক্ষেত্রে স্থিতিকালের স্বল্পতা এবং বয়সের স্বভাবধর্ম তাঁকে তাঁর প্রবন্ধসমূহে গৃহীত বিষয়সম্পর্কে বিশেষভাবে চিন্তা করার ফুরসৎ দেয়নি। এ কারণেই, গভীরভাবে চিন্তাশীল প্রাবন্ধিক হিসেবে নজরুলের পরিচিতি বা স্বীকৃতি সীমিত হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, তিনি বয়সের স্বভাবধর্মের কারণেই উপনিবেশ-শৃঙ্খলিত দেশের রাজনীতি-অর্থনীতি-সমাজনীতি-শিক্ষানীতির ক্ষেত্রে বিরাজিত সমস্যাকে উপেক্ষাও করতে পারেননি। উপরন্তু, তাৎক্ষণিকভাবে সমস্যা চিহ্নিতকরণ, বিশ্লেষণ ও সমাধানের পথ নির্দেশনা দানে তিনি সচেষ্ট হয়েছেন। অবশ্য এর পিছনে বিশেষভাবে সক্রিয় ছিল তাঁর কর্মসংস্থানের তাগিদ। এসব প্রণোদনায় তাঁর চিন্তাজগতে উদ্ভূত বিবিধ বিষয়চেতনার পাশাপাশি শিক্ষার প্রসঙ্গটিও স্থান লাভ করেছিল। তবে বলা…
[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]
[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]
গ্রন্থপঞ্জি ও উৎসের তথ্য
এই নথির পরিচয় সংরক্ষিত আছে। পূর্ণপাঠ বা ফাইল এখনও যুক্ত হয়নি।
