অগ্নি-বীণার শতবর্ষে নজরুল-সমালোচনার সংক্ষিপ্ত রূপালেখ্য
সৌভিক রেজাসারসংক্ষেপ
বাংলাসাহিত্যে রবীন্দ্রনাথের পরে নজরুলকেই আমরা বলতে পারি একজন প্রতিভাবান কবি। শুধুই যে প্রতিভাবান তা নয়, একই সঙ্গে তিনি ছিলেন একজন মৌলিক কবি। নজরুলের অগ্নি-বীণা কাব্য প্রকাশের পরপরই তাঁকে একজন যুগ-প্রবর্তক কবি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এই কাব্যে নজরুল, তাঁর যুগটিকে, তাঁর সমকালকে বিচিত্রভাবে বুঝে নেয়া আর তাকে শৈল্পিক প্রকাশে চিত্রিত করবার চেষ্টা করেছিলেন। নজরুলের কাব্য-অভিযানের অগ্রযাত্রার শুরুটা সেখান থেকেই। এসবের পাশাপাশি আমাদের সাহিত্যে দেখা যায় নজরুলের কাব্য-সমালোচনার একটি নতুন ধারা। নতুন কাব্যরীতির প্রবর্তক ছিলেন বলেই, আমাদের সাহিত্যে, সমালোচকদের একটা বড় অংশ নজরুলের কৃতিত্বের জায়গাটি সুনির্দিষ্টভাবে ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন। অর্থাৎ নজরুলের কবিতাই শুধু নয়, নজরুলের কাব্যের সমালোচনাগুলো আমাদের সাহিত্যে একটি নতুন ধারা সৃষ্টি করেছে। বাংলা সাহিত্যে নজরুল-সমালোচনার সে-ধারা এবং তার নিহিত পালা-বদল এক অর্থে বাংলা সাহিত্য-সমালোচনারও পালা-বদল বটে। নজরুলের অগ্নি-বীণা প্রকাশের শতবর্ষে এসে তাঁর কবিতা আলোচনার পাশাপাশি সাহিত্য-সমালোচনার সে-ধরনটিও আমরা এখানে বুঝে নেয়ার চেষ্টা করেছি।
গ্রন্থপঞ্জি ও উৎসের তথ্য
এই নথির পরিচয় সংরক্ষিত আছে। পূর্ণপাঠ বা ফাইল এখনও যুক্ত হয়নি।
