নজরুলের প্রবন্ধ : সমাজচৈতন্য
সিদ্দিকা মাহমুদাসারসংক্ষেপ
বিশুদ্ধ নান্দনিক প্রযত্নে নয়, নজরুল প্রবন্ধ লিখেছেন প্রধানত দেশকাল পরিবেশ ও কর্মজগতের প্রণোদনায়। পরাধীন দেশের যন্ত্রণা, স্বসমাজ ও প্রতিবেশী হিন্দু সমাজের পারস্পরিক সহাবস্থান সত্ত্বেও উপজাত সমস্যা-সংঘাত, ধনবান-ধনহীনের বৈষম্য, অশিক্ষা-কুসংস্কারের প্রবল পীড়ন এবং সর্বোপরি মনুষ্যত্বের অপমান ও লাঞ্ছনা তাঁর সত্যসন্ধ স্পর্শকাতর হৃদয়ে যে তীব্র আলোড়ন তুলেছিল প্রবন্ধসমূহে তার স্বতঃস্ফূর্ত ও আবেগময় বহিঃপ্রকাশ লক্ষণীয়। এ সমস্ত প্রবন্ধের অধিকাংশ সম্পাদকীয় তাগিদে লেখা, কিছু কিছু আবার বিভিন্ন সভায় প্রদত্ত অভিভাষণ আকারে প্রাপ্ত, ফলত সুপরিকল্পিত প্রবন্ধের প্রস্তুতি ও পরিশীলন এখানে পাওয়া যায় না। তথাপি অবশ্যম্ভাবী রূপে তা স্বদেশ ও স্বকালস্পর্শী। ১৯১৯ সালে নজরুল যখন দেশে ফিরেছেন তখন চারদিকে পুঞ্জীভূত গণবিক্ষোভের প্রলয়-মেঘ। সন্ত্রাসবাদ কিছুটা স্তিমিত হলেও ১৯২০-এর সেপ্টেম্বরে কংগ্রেসের বিশেষ কলকাতা অধিবেশনে গৃহীত হয়েছে গান্ধীর অসহযোগ প্রস্তাব। পাশাপাশি সূচিত খিলাফত আন্দোলন। আর এই বছরই সান্ধ্যদৈনিক নবযুগে (১৯২০) নজরুল লিখে চলেছেন অগ্নিগর্ভ সম্পাদকীয় নিবন্ধ, যার কিয়দংশ নিয়ে যুগবাণী-র গ্রন্থনা। ১৯২২ এর ২৬শে অক্টোবর নজরুলের প্রথম প্রবন্ধ গ্রন্থ যুগবাণী-র আত্মপ্রকাশ আর মাত্র তিনমাসের মধ্যেই তৎকালীন বঙ্গীয় সরকার কর্তৃক তা বাজেয়াপ্তকরণ। যুগবাণী-র প্রথম প্রবন্ধ 'নবযুগ'-এ বিশ্বব্যাপী গণজাগরণ সম্পর্কে নজরুলের…
[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]
[সারসংক্ষেপের সংক্ষিপ্ত অংশ। সম্পূর্ণ সারসংক্ষেপ মূল উৎসে পড়ুন।]
গ্রন্থপঞ্জি ও উৎসের তথ্য
এই নথির পরিচয় সংরক্ষিত আছে। পূর্ণপাঠ বা ফাইল এখনও যুক্ত হয়নি।
